এমা কত বড়, নাহ্ বিয়ে করবো না…

ga-600x320

বিনোদন ডেস্ক: বয়স মাত্র সাত হলে কি হবে ভারতীয় বাংলা চ্যানেল স্টার জলসার সবচেয়ে প্রিয় মুখ এখন হিয়া দত্ত। কথা হচ্ছে, ‘পটলকুমার গানওয়ালা’ টিভি সিরিয়ালের ছোট্ট পটলকে নিয়ে। মাসের আটাশ দিনই শুটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই বয়সেই দম ফেলার ফুরসত নেই যে বালিকার।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক আনন্দবাজারকে হিয়া জানালো তার ‘ক্ষুদে’ ব্যক্তিগত জীবনের গল্প। বাবার দেয়া দুষ্টু নামটিই পছন্দ করে বেশি। কিন্তু ‘পটল কুমার গানওয়ালা’ টিভি সিরিয়ালটি শুরু হবার পর থেকে এখন পটলই যেন প্রথম পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথে-ঘাটেও তাকে মানুষ চেনে এখন পটল হিসেবেই।

আনন্দবাজারের সাংবাদিকের কোলে চড়েই হিয়া ফিরিস্তি দেয়, আজকাল সাংবাদিকরা বড় জ্বালাতন করে তাকে।

‘‘আরে ওই যে মাইক হাতে এসে জানতে চায় নাকী করি ,কী খাই কী গাই এই সব।’’

কিছুক্ষণ পরেই চ্যানেলে-চ্যানেলে প্রতিযোগিতার তোয়াক্কা না করে জি বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘গোয়েন্দা গিন্নি’র শুটিং সেটে পৌঁছে যায় দৌড়ে। সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেত্রী ইন্দ্রানি হালদারের মুখেও ফুটলো ছোট্ট এই মেয়েটির জন্য প্রশংসার ফুলঝুড়ি, “কী সুন্দর এক্সপ্রেশন দিতে শিখে গেছে এই বয়সেই।’’

হিয়ার সঙ্গে ছিলেন তার মাও। শুটিং-এর দৌরাত্মে পড়াশোনাটা হি হাল তার মেয়ের – এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রাবণী দে বললেন, “তিন মাস ধরে পরীক্ষা দিতে পারছে না। স্কুল সাহায্য করছে। নভেম্বরে ক্লাস ওয়ানের ফাইনালটা দিতে পারেনি, তাও টু-এ তুলে দিয়েছে। তাছাড়া আমি গিয়ে পড়াটড়া লিখে নিয়ে আসি। মাসের দ্বিতীয় শনিবার, আর টুকটাক ছুটি পেলে সেই দিনগুলো পড়াই।”

হিয়ার বাবা একটি মুদি দোকান চালান। নিজেই মেয়ে আর স্ত্রীকে স্কুটারে চড়িয়ে শুটিং-এ দিয়ে যান।শ্রাবণী আরো জানালেন হিয়াকে নিয়ে তার স্বপ্নের কথা, “ওকে একটা প্রতিষ্ঠানে অভিনয় শিখতে পাঠিয়েছিলাম কিছু দিনের জন্যৃআসলে ওকে অভিনেত্রীই করে তুলতে চাই।”এদিকে হিয়া জানালো তার স্বপ্নের কথা, “‘দেব। দেবের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করতে চাই। ছবি তুলতে চাই।’’ তাকে বিয়ে করবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে লাজুক উত্তর, “এমা। কত বড়। নাহ্ বিয়ে করবো না। শুধু ছবি তুলবো।’’

মন্তব্য করুনঃ